Sylhet Express

ক্রেতা শূন্য গোয়ালাবাজারের পশুর হাট

0 ৫৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :ঈদের দিন ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা পশু জবাই দিয়ে মনের পশু কুরবানি দিবেন। এই কোরবানিকেই কেন্দ্র করে ওসমানীনগরের সর্ব বৃহত্তম পশুর হাট, গোয়ালাবাজার থাকতো জমজমাট। ক্রেতারা তাদের পছন্দের গরু কিনতে হাটের দিন রবি এবং বুধবার ভিড় করতেন প্রসিদ্ধ এই পশুর হাটে।

এতো ক্রেতা বিক্রেতা, স্থানীয় ব্যবসায়ী সবাই দেখতেন লাভের মুখ, কিন্তু আজ আর সেই দিন নেই ! গতকাল বুধবার হাটে গিয়ে দেখা যায় হাটে বেপারিরা পর্যাপ্ত গরু উঠলেও সেই তুলনায় নেই কোন ক্রেতা। যারা আসছেন তারা স্থানীয় এবং সেই সংখ্যা তুলনামূলক কম।

প্রতি বছর কোরবানী ঈদের পূর্বে গোয়ালাবাজারের গরুর হাটে হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ক্রেতা গরু কিনতে আসলেও করোনা ঝুকি এবং স্থানীয় ইজারাদার কর্তৃক অধিক ছিট মুল্যের (৭%) কারণে এ বছর ক্রেতা শুন্য হয়ে পড়েছে উপজেলার এই জমজমাট পশুর হাট। এতে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক, খামারি ও মৌসুমি গরু বেপারিরা। হাতে গুণা কয়েক জন ক্রেতা হাটে গরু কিনতে আসলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় অনেকটাই হতাশায় গরু বেপারিরা।

সুনাপুর গ্রামের প্রসিদ্ধ গুরু ব্যবসায়ী আনহার মিয়া বলেন, এ বছর কুরবানিকে কেন্দ্র করে আমার খামারে ৩০ টি গরু পালন করেছি, প্রতিটি গরুর মুল্য সর্বনিম্ন ৮০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। কিন্তু ক্রেতাশুন্য এই হাটে চাহিদা ও দাম কমে যাওয়া তিনি মারাত্মক ক্ষতির আশংঙ্কা করছেন। তিনি এর জন্য করোনার প্রভাব, খাশের পরিমাণ অধিক( ৭%) হওয়াকে দায়ী করছেন।

গরুর দাম দর জানতে হাটে আসা দুলাল মিয়া বলেন, এ বছর গতবারের মত হাটে এখন পর্যাপ্ত গরু ওঠেনি। দাম এখনও বেশি, ঈদের যেহেতু আর বাকি আছে, দামও আরেকটু কমার সম্ভাবনা আছে দাম কমলেই তিনি পছন্দের পশু ক্র‍য় করবেন।এদিকে ,বাজার ক্রেতা শুন্য হওয়ার পেছনে করোনা ভীতি, আশপাশের বাজারগুলোর চেয়ে খাশের পরিমাণ অধিক হওয়াকে দায়ী করেছেন ।এদিকে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও মানছেন না হাটে আসা ক্রেতা, বিক্রেতা এবং দর্শনার্থীরা । তবে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয় প্রশাসনের।

মন্তব্য
Loading...