Sylhet Express

চেঙ্গেরখাল নদীতে যুবলীগ নেতা ইকলালের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ,

0 ১,০০০

সিলেট সদর উপজেলার চেঙ্গেরখাল নদীর খাদিমনগর ইউনিয়ন অংশে পাথর ও বালুবাহী নৌকা ও কার্গো থেকে চাদাঁবাজির অভিযোগ যুবলীগ নেতা ইকলালের উপর।প্রতিদিন দেড় শতাধিক নৌকা থেকে লক্ষাধিক টাকা চাদা উত্তোলন করছে ইকলাল বাহিনী,

এমনটিই অভিযোগ করেন এলাকাবাসী,কোনো প্রকার ইজারা ছাড়াই নৌকা থেকে টাকা তুলা হচ্ছে খাদিম নগর ইউনিয়ন সালুটিকর তথা চেঙ্গেরখাল নদীতে এই চাদাঁবজির ঘটনা ঘটছে। স্থানীয়রা জানান,চেঙ্গেরখাল নদী দিয়ে প্রতিদিন দেড়শতাধিক পাথর ও বালুবাহী নৌযান চলাচল করে।

এসব নৌযান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। হঠাৎ করে ছালিয়া ফাগলা মোরায় অস্তায়ি অফিস করে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন নাম দিয়ে ট্যাক্স আদায় শুরু করেন।একটি কার্গো থেকে প্রতিদিন ২ হাজার ও বলগেট থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা করে আদায় করছে ঐ চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌকার মাঝিসহ শ্রমিকদের মারধরের ঘটনা ঘটছে।

প্রতিদিন নৌকা,ভলগেট থেকে এরকম চাদাবাজীর ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।কোম্পানীগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি পাথরবাহী কার্গো চালকরা অভিযোগ করেন,তাদের কাছ থেকে জোর করে এক হাজার টাকা করে নিয়ে নেয় যুবলীগ নেতা ইকলালের সদস্যরা। মারধরের ভয়ে তিনি এই চাঁদা দিতে বাধ্য হয়েছেন।

একইভাবে চালক হাসান ও আকিরও একই অভিযোগ করেন। সরজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে চালকরা জানান যুবলীগ নেতা ইকলাল বাহিনীকে চাদা না দিলে কার্গো ,নৌকা,ভলগেট আটকিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা রেখে দেয় এবং আমাদের মারধর করে।এমভি মিরাকা-৬ এর মালিক মাতেব্বর বলেন,এভাবে নতুন নতুন জায়গায় চাদাঁবাজি বাড়তে থাকলে আমাদের সিলেট কেন্দ্রিক ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। তিনি চাঁদা না দেয়ায় তার কার্গো এক ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিলো বলে জানান।

এরপর ব্যবসার স্বার্থে তার চালক চাঁদা দিতে বাধ্য হন বলে জানান মাতেব্বর।এলাকাবাসীর অভিযোগ যুবলীগ নেতা ইকলাল এর নেতৃত্বে মামুন,কবির,দুলাল,সিদ্দিক ও বাইলারকান্দি গ্রামের আবুল,হাসিম জজ মিয়াসহ এইসব সদস্যরা এই চাদাঁবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন আমরা যেনেশুনে চাদাঁবাজির বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশকে অবহিত করলেও নিজের পকেট ভারী করার জন্য তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। প্রতিদিন চাদাঁবাজির লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে জানতে যুবলীগ নেতা ইকলাল জানান চেঙ্গেরখাল নদীতে গত এক বছর ধরে চাঁদাবাজি চলছে আমি চাদাবাজদের বিপক্ষে তিব্র প্রতিবাদ করায় কে বা কারা তাদের স্বার্থে আঘাত লাগায় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম শাহাদাত হোসেন বলেন,আমরা এখন অভিযোগ পাই নাই, তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি মিটিং হয়েছিল বলা হয়েছে কে বা কাহারা নদীতে চাদা তুলেছিল তবে আমাদের টিম করা আছে বর্তমানে নদীতে কোন লোক নেই,কারো সাথে আমাদের কোন আপস হবে না যে যত বড় নেতা হননা কেন।

বিস্তারিত আসছে ভিডিও সহ।

মন্তব্য
Loading...