Sylhet Express

গোয়াইনঘাটে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি, কৃষকরা আতংকিত

0 ৫৫

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: গোয়াইনঘাটে বন্যা পরিস্থিতি আবারও অবনতি দেখা দিয়েছে। বরাক আর সুরমা নদীর প্রভাব পড়ছে উপজেলার দক্ষিণ এলাকায়। এতে কৃষকরা আতংকিত হয়ে পড়েছেন।

গত কয়েকদিনের পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারি বৃষ্টিতে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্লাবিত হয় এবং উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ সম্পন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে করে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্ধি থাকেন।গত সোমবার থেকে পানি কমতে থাকলে মুটামুটি স্বাভাবিক হয় যাতায়াত। কিন্ত ১লা জুলাই বুধবার সকাল থেকে বরাক ও সুরমা নদীর প্রভাব পড়ে গোয়াইনঘাট উপজেলার দক্ষিনাঞ্চালে।

বিশেষ করে র্পুব আলীরগাঁও, পশ্চিম আলীরগাঁও, ডৌবাড়ী, ফতেপুর, নন্দীরগাঁও এবং তোয়াকুল ইউনিয়নে। এদিকে পিয়াইন ও সারী নদীতে হালকা পানি বাড়ায় র্পুব আলীরগাঁও ও পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের একাংশ, পুর্বজাফলং, পশ্চিম জাফলং এবং রস্তমপুর ইউনিয়নে হালকা পানি বাড়ছে। উপজেলার দু’দিক থেকে পনি বৃদ্ধি হওয়ায় উপজেলার কৃষককোলে নেমে আসছে অজানা আতঙ্ক। কেননা গত বন্যার ঘা শুকাতে না শুকাতেই আবার বড় বন্যার আশংকা।

সরজমিন ঘুরে দেখা যায় রোপা আউশ, বোনা আমন এবং আমনের বীজতলা শতভাগ ক্ষতির আশংকা রয়েছে। এছাড়া শাক সব্জির বাগান পুরোটাই ক্ষতি সাধিত হয়েছে। উপজেলার মধ্যে কয়েক হাজার ছোট বড় ফিসারীর মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। সব মিলিয়ে কয়েক শত কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। একদিকে করোনার প্রভাব, অন্যদিকে বন্যার ছোবল। এতে উপজেলার বাসী ক্ষতির দিকদিয়ে ৫০ বছর পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবারের ক্ষতিগুলো পিছনের সকল ঝড়, তোফান, বন্যা খরা হার মানিয়েছে। সরকারী ভাবে উজেলার সবকটি ইউনিয়নে ত্রান বিতরণ অব্যাহত আছে। জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নাজমুস সাকিব জানান আজ পুনরায় কিছু পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বিপদ সীমার উপরে যায়নি। তিনি আরও বলেন বন্যা উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্ডন্ত ৩৫টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। আর ২০টন মজুত আছে, বিতরেনের পক্রিয়াধীন রয়েছে।

মন্তব্য
Loading...