Sylhet Express

ডাক্তার ওয়াকিল উদ্দিনের মাসিক আয় ৩৬ লক্ষ 

0 ৬৭

স্টাফ রির্পোটার : সিলেটে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তাররা নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে সরকারী কাজে ফাকিঁ দিয়ে প্রাইভেট চেম্বার নিয়ে ব্যাস্ত । এতে পদে পদে হয়রানির শিকার ও চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা । এমনই একজন সিলেট সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওয়াকিল উদ্দিন জোয়ারদার । খাতাপত্রে তিনি সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে র্কমরত থাকলেও বাস্তবে প্রাইভেট চেম্বার নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন। তিনি চেম্বার করেন বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই বাজারে। স্থানীয় একাধিক সুত্র জানায়, ডাক্তার ওয়াকিল উদ্দিন সরকারি হাসপাতালকে পুজিঁ করে গড়ছেন টাকার পাহাড়। যাতায়াতের জন্য কিনেছেন কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল গাড়ি । বাসা দিয়ে থাকেন নগরীর অভিজাত এলাকায় । সিলেট জুড়ে রয়েছে নামে বেনামে স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি । এসবই অবৈধ আয়ের টাকায় বলে জানিয়েছেন ঘনিষ্টজনেরা।
তিনি বিয়ানীবাজারের চারখাই বাজারস্থ চেম্বারে প্রতিদিন প্রায় ২০০ রোগী দেখেন, জনপ্রতি ৬০০ করে গড়ে প্রতি মাসে শুধু রোগীদেখার ফি বাবৎ প্রায় ৩৬,০০,০০০ (ছয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা আয় করেন। শুধু তাই নয় উক্ত হাসপাতালের নানা সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক ভ্যাকসিন ও সরকারি মূল্যবান ঔষধপত্র এই অসাধু ডাক্তার নিজ ফার্মেসিতে বিক্রি করে দেন এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। এসব দেখার যেন কেউ নেই। স্বরজমিন ঘুরে দেখা যায়, একজন ডাক্তারও নেই হাসপাতালটিতে শুধু মাত্র একজন নাইটর্গাড ও একজন আয়া রয়েছেন। নাইটর্গাড পরিচন্নতাকর্মি,ঝাড়ুদার আয়া ও নার্সই এখানে ডাক্তার এ ভাবে চলছে হাসপাতালটি এমন অভিযোগ একাধিক ভুক্তভোগীর। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বেশির ভাগ সময়ই ডাক্তাররা নানা অযুহাতে হাসপাতালে উপস্থিত থাকেন না। ফলে মারাত্মকভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হয় । ১৯৬২ সালে নগরীর শাহী ঈদগাহে ৭৫০ শতক ভূমির উপর সিলেট বিভাগের একমাত্র সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালটি স্থাপন করা হয়।

২০ শয্যার এ হাসপাতালে মঞ্জুরিকৃত পদের সংখ্যা ২১টি । তবে দীর্ঘদিন থেকে এখানে অনেক পদ-ই শূন্য রয়েছে। রোগীদের সেবা প্রদানের জন্য ২ জন পুরুষ একজন মহিলা ডাক্তারসহ মোট তিন জন ডাক্তার খাতা পত্রে থাকলেও বাস্তবে একজনও পাওয়া যায় না। এ ছাড়া ঔষধ সংকট, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, যন্ত্রপ্রাতির অভাবসহ নানা কারণে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ব্যহত হচ্ছে মারাত্মক ভাবে। এ ব্যাপারে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওয়াকিল উদ্দিন জোয়ারদারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন আমি বাহিরে আছি পরে কথা বলবো । এ ব্যাপারে সিলেট এম এ জি উসমানী হাসপাতালের ডেপুটি ডাইরেক্টর হিমাংশু লাল রায় বলেন,সরকারি ডিউটির পর রোগী দেখতে পারেন এখানে আমার আপানার কারো কিছু করার নেই ,এব্যপারে ডেপুটি সিভিল সার্জন নুরে আলম শামীমের সাথে মুঠোফনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি ।

মন্তব্য
Loading...