Sylhet Express

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হাবিবুর রহমান তাফাদার

0 ১৪৯

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সিলেটবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিলেটের বহুল প্রচলিত জনপ্রিয় সাপ্তাহিক সুরমা টাইমস পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট সিলেটের কৃতি সন্তান জনাব হাবিবুর রহমান তাফাদার।এক শুভেচ্ছা বার্তায় জনাব হাবিবুর রহমান তাফাদার বলেন, মহান ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম ধর্মীয় উত্সব ঈদুল আযহা,মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে কোরবানির রেওয়াজ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। এই অনন্য ঘটনার স্মরণে কোরবানি প্রচলিত হয়। মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে জবাই করা পশুর মাংস বা রক্ত কিছুই পৌঁছায় না, কেবল নিয়ত ছাড়া। ঈদুল আযহার অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে, মনের পশু অর্থাৎ কুপ্রবৃত্তিকে পরিত্যাগ করা।
পবিত্র হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রতি বছর জিলহজ মাসের দশ তারিখে বিশ্ব মুসলিম ময়দানে নামাজ আদায়ের পর যার যা সাধ্য ও পছন্দ অনুযায়ী পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। আরবি আযহা এবং কোরবান উভয় শব্দের অর্থ হচ্ছে উত্সর্গ। কোরবানি শব্দের উত্পত্তিগত অর্থ হচ্ছে আত্মত্যাগ, আত্মোত্সর্গ, নিজেকে বিসর্জন, নৈকট্য লাভের চেষ্টা ও অতিশয় নিকটবর্তী হওয়া প্রভৃতি। সুরা হজে বলা হয়েছে, এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু তোমাদের তাকওয়া পৌঁছে যায়। আল্লাহর বান্দারা কে কতটুকু ত্যাগ ও খোদাভীতির পরিচয় দিতে প্রস্তুত এবং আল্লাহপাকের নির্দেশ পালন করেন তিনি তা-ই প্রত্যক্ষ করেন কেবল। প্রত্যেক আর্থিক সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকার পরও কোরবানি দিল না, সে যেন আমার ঈদগাহে না আসে (মুসনাদে আহমদ)। আল কোরআনের সুরা কাউসারে বলা হয়েছে, অতএব তোমার পালনকর্তার উদ্দেশে নামাজ পড় এবং কোরবানি করো। সুরা হজে বলা হয়েছে, কোরবানি করার পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা।
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক জাতির বাত্সরিক আনন্দ-ফুর্তির দিন আছে। এই দিনে ধনী-গরীব, বাদশা-ফকির নির্বিশেষে সব মুসলমান এক কাতারে ঈদের নামাজ আদায় করে, একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে। ঈদ মুসলিম উম্মাহর জাতীয় উত্সব। শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রেরিত এক অভিনন্দন বার্তায় হাবিবুর রহমান তাফাদার আরো বলেন, আত্মত্যাগ এবং আল্লাহ’র প্রেমে আত্মসমর্পণের বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল আযহা। কোরবানির এই ত্যাগের মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। ত্যাগের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ্য। তিনি দেশে-বিদেশে সাপ্তাহিক সুরমা টাইমস পত্রিকার পাঠক,বিজ্ঞাপনদাতা,এজেন্ট,ও শুভানুধ্যায়ী সবাইকে জানান ঈদ মোবারক ও ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। –বিজ্ঞপ্তি।

মন্তব্য
Loading...