কক্সবাজারের ‘এম,পি বদির চেয়েও বদ’ শিক্ষা মন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ!

0 ৩,৬৬৭

‘সাবেক ছাত্রলীগ নেতার ফেসবুক মন্তব্যে তোলপাড়’

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে নিয়ে বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক সাধারন সম্পাদকের ফেসবুকের একটি নাতিদীর্ঘ পোস্ট লন্ডন ও বিয়ানীবাজার আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ,যুবলীগের সাইবার ওয়ার্ল্ডে তোলপাড় সৃস্টি হয়েছে। লন্ডন প্রবাসী সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ করে ফেসবুকে তার লেখনি প্রকাশ করেন। ফেসবুকে তার পোস্টে মন্তব্যের ঝড় তুলেছেন সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ কর্মীরা। অনেকে আবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্য নিউজ পোর্টালে। শিক্ষামন্ত্রীকে শান্তনা জানিয়ে লেখনি পাঠিয়েছেন বিয়ানীবাজারের স্থানীয় একটি নিউজ পোর্টালে। পাঠকদের সুবিধার্থে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জেবুল ইসলামের ফেসবুক পেজের লেখাটি হুবহু প্রকাশ করা হলঃ

আব্দুর রহমান বদি এম,পি সারা দেশের ছাত্র ও যুব সমাজকে ইয়াবা সাপ্লাই করে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে , এদিকে শিক্ষা মন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ পরীক্ষার পূর্বে প্রশ্নপত্র ছাত্রদের হাতে দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন।
যখন উনি কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তখন কমিউনিস্ট পার্টিকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো
করে ধ্বংস করে দিয়ে গণফোরামে যোগদান করেন।

* আবার গণফোরামকে ধ্বংস করে দিয়ে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন, এখন পর্যন্ত তিনি বিয়ানী বাজার গোলাপগঞ্জের আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দিয়েছেন। এখন সিলেট জেলার অন্যান্য উপজেলার আওয়ামী লীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে ধ্বংস করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
এখানে শেষ নয় বিয়ানী বাজার ছাত্রলীগকে বিভিন্ন গ্রুপ, উপ-গ্রুপে বিভক্ত রেখে ছাত্রলীগের কয়েকটি তর তাজা প্রাণ কেড়ে নিয়েছেন।
এই ভাবে কমিউনিস্টের একক আধিপত্য চলতে থাকলে আগামীতে আরো কতো মায়ের বুক যে খালি হবে তা আল্লাহ্ জানেন।

বিয়ানী বাজার- গোলাপগঞ্জ উপজেলা সহ সমগ্র সিলেট জেলার আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নিবেদিত কর্মীদের এখন সময় এসেছে কমিউনিস্ট দল ত্যাগী নেতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে, যেমনটা ত্রিশে মে
বিয়ানী বাজার থানা,কলেজ ও পৌরসভা ছাত্রলীগ উনার ইফতার মাহফিল বয়কট করেছিল।

_*_যে ইফতার মাহফিলে মানবতা লঙ্ঘনের মহড়া হবে , সেখানে বঙ্গবন্ধুর আদর্শীক রাজনীতির সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত হয়ে এই রকম অমানবিক নিষ্ঠুরতাকে কোন দিন সমর্থন দেয়নি, আগামীতেও দিবে না!!!*_
_
মরনব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক – আলিম উদ্দিন ভারতে আংশিক চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে যখন টাকার অভাবে দিশেহারা, তখন আলিম উদ্দিনের স্ত্রী সহ পরিবারের লোকজন এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কনাডা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব সরওয়ার ভাইয়ের সাথে তার সিলেটস্থ বাসভবনে দেখা করেন। সমস্যার কথা শুনে তিনি সাথে সাথে নগদ অর্থ প্রদান করেন। সরওয়ার ভাই তাদেরকে আর ও আশ্বস্থ করেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কথা বলে নগদ অর্থ সহায়তা প্রাপ্তির ব্যবস্থা করবেন। আলিম উদ্দিনের চিকিৎসা সক্রান্ত সকল কাগজ পত্রের কপি প্রদান করার জন্য বলেন।

সেই অনুযায়ী সরওয়ার ভাই আলিম উদ্দিনের চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল ডকুমেন্টস সংগ্রহ করে এবং সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব এডভোকেট লুৎফুর রহমান এর একটি পত্র সংগ্রহ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এসাইনমেন্ট অফিসার জনাব শামিম আহমেদ এর নিকট জমা দেন, এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করেন।

জনাব শামিম সাহেব ৮/১০ দিন পর সরওয়ার ভাইকে টেলিফোনে জানান যে, দরখাস্ত খানা মমতাময়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আলিম উদ্দিন এর জন্য দুই লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছেন ১০ দিনের ভিতরে চেক প্রস্তুুত হয়ে যাবে এবং তিনি নিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু সরওয়ার ভাই সে সময় ফ্রান্স সফরে থাকায় সময়মত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চেক সংগ্রহ করতে পারেন নাই। সফর শেষে দেশে আসার পর জনাব শামিম সাহেব টেলিফোন করে সরওয়ার ভাইকে জানান যে, তিনি দেশে না থাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে চিটি পাঠানো হয়েছে এবং শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ সাহেব অনুদানের চেক গ্রহন করেছেন। তিনি এলাকার প্রতিনিধি সেই জন্য উনার কাছে চেক দিতে আমাদের কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

সরওয়ার ভাই আলিম উদ্দিনকে দেখতে হাসপাতালের যান এবং জানতে পারেন সে টাকার অভাবে হাসপাতালের বিল দিতে পারতেছে না । যার ফলে যে কোনো সময় তার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাবে।
চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য মহান হৃদয়ের সরওয়ার হোসেন ভাই তৎক্ষণাৎ ৫০০০০।- (পঞ্চাশ হাজার) টাকার চেক প্রদান করেন ।

আলিম উদ্দিন কাঁন্নাজড়িত কন্ঠে সরওয়ার ভাইকে বলেন আপনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার চিকিৎসার জন্য দুইলক্ষ টাকার অনুদান ঘোষনা করেছেন এবং আপনি দেশে না থাকায় তা গ্রহন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আমাকে ফোনে বলা হয়েছে আগামী ৩০ই মে বিয়ানী বাজার আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টি থেকে চেক গ্রহণ করার জন্য, আপনি বলেন আমি এই অবস্থায় কি ভাবে বিয়ানী বাজারে ইফতার পার্টিতে যাই। তাছাড়া গত ২৩ই মে আমার পাশের হাসপাতালে গোলাপগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা জনাব সিরাজুল জব্বার চৌধুরী সাহেবকে দেখে গেলেন, দুই মিনিটের রাস্তা আমাকে দেখে চেক দিয়ে যেতে পারতেন, তাছাড়া আমার একাউন্টে জমা দিতে পারতেন। না উনি ইন্ডিয়া থেকে এসে ৩০ই মে ইফতার পার্টিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে দিতে চান।

প্রধানমন্ত্রী দপ্তর থেকে ১৯শে এপ্রিল দুই লক্ষ টাকার চেক গ্রহণ করেন কিন্তু আলিম উদ্দিন এর হাতে তুলে দেননি ।কারণ ৩০শে মে বিয়ানী বাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের ইফতার পার্টিতে উনি যখন আসলেন, তখন বিয়ানী বাজারের জনগণকে দেখালেন যে ঐ টাকা প্রধানমন্ত্রী কাছ থেকে উনি নিজে ব্যস্ততা করে নিয়ে এসেছেন।
তার পরেও যদি ঐ চেকটি আলিম উদ্দিনের হাতে তুলে দিয়ে ফটো সেশন করে চেকটি না নিয়ে আসতেন তাহলে আমি এ লেখাটি লিখতাম না।

আজ আলিম উদ্দিন না ফেরার দেশে চলে গেছেন । প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া চেকটি আজ আর আলিম উদ্দিনের একাউন্টে জমা দেওয়া যাবে না? কারণ আলিম উদ্দিন এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে না ফেরার দেশে চলে গেছেন ।

আলিম উদ্দিন কে আল্লাহ পাক জান্নাতুল ফেরদৌছ দান করুন।
আমিন

জেবুল ইসলাম এই পোস্টটির পর আবার গত ১২ জুন ২০১৮ ইংরেজীতে তার ফেসবুক পেজে আবার লেখেনঃ

 

একশ্রেণীর লোক আছেন যারা স্বাধীনতার চেতনার সংগঠন আওয়ামী লীগের ভিতরে ঢুকে দলকে সব সময় দ্বিধাবিভক্ত রেখে মজা নিতে চায়। খন্দকার মোস্তাক এই দলেরই একজন ছিল, এদেরকে মানুষ চিনতে অনেক সময় ভুল করে, কারণ এরা মুখোশ পরে তৈল বাজিতে বেস্ত থাকে। তাই এই সকল মানুষ থেকে সাবধান হওয়ার জন্য নিজের দায়বদ্ধতা থেকে লিখতে বাধ্য হলাম।

গত ৩০শে মে ২০১৮ ইংরেজি বিয়ানী বাজার আওয়ামীলীগ পরিবার আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে ( যদিও ছাত্রলীগের বৃহত্তর একটি অংশ ইফতার মাহফিল বয়কট করেছে ) অসুস্থ আলিম উদ্দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দ কৃত চেক নিয়ে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় যে মহড়া দিয়েছেন, আমার দৃষ্টিতে এক অমানবিক ও নিষ্ঠুর কাজ বলে মনে হয়েছে। তাই সোস্যাল মিডিয়ায় আমি নিন্দা জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছি, যেহেতু বিয়ানী বাজার ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত রাখার জন্য সিনিয়রদের সাথে আমারও অংশ গ্রহণ ছিল সক্রিয়, জীবনের মূল্যবান সময় সংগঠনের জন্য ব্যায় করেছি।

* জনৈক এক ব্যারিস্টার আমার ফেইসবুক ইনবক্সে ধন্যবাদ জানালেন। আমার লেখাটি গঠনমূলক সমালোচনা ও সময় উপযোগী ছিল এ প্রশংসা করে। আবার উনি ৮ই জুন একটি অনলাইন পত্রিকায় স্ট্যাটাস দিলেন, আমার লেখায় নাকি ব্যাকরণ গত অনেক ভুল রয়েছে এবং স্ট্যাটিসটি মন্ত্রী মহোদয়কে নিয়ে বিষোদ্গার বক্তব্য। আরোও লিখেছেন ফেইসবুকে লিখলে নাকি লাইক,কমেন্ড পাওয়া যায় ।

জনাব ব্যারিস্টার আপনি ফেইসবুকে যে স্ট্যাটাসটি দিয়েছেন সেটি পাবলিক বুঝতেে পারেনি, কারণ আপনি দুই কুল বজায় রেখে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যখন কেহ উভয় কুল বজায় রেখে বক্তব্য দেয় , তখন সেই রকম বক্তব্য মানুষের কাছে সঠিক বা গ্রহণ যোগ্য হয়না, কারণ এই রকম বক্তব্যকে সিলেটি ভাষায় বলা হয় (দোনছলা )।

আবার আপনি লিখেছেন দলীয় ফোরামে আলোচনা করার জন্য, আরে উত্তম প্রস্তাব তো, আপনি কি ভুলে গেছেন, আওয়ামী লীগের প্রয়াত শ্রদ্ধেয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সাহেবের মিলাদ মাহফিলের দাওয়াত কথা। সেদিন আপনার সাধারণ সম্পাদক জনাব সৈয়দ সাজেদুর রহমান ফারুক সাহেব যখন মাইকে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন মন্ত্রী মহোদয় কি করেছিলেন, উনার প্রতিক্রিয়া কি ছিল ?? কই, সেদিন আপনাকে দেখিনি এইসব নিয়ে কিছু বলতে কারণ!!!

আপনি আরও লিখেছেন,
“আমি আওয়ামী লীগের একজন নগন্য কর্মী হিসাবে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি আমার এমপি এবং মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী কিংবা আওয়ামী লীগ সরকারের কাছ থেকে কোন অনুদান কিংবা উপঢৌকন কোনদিন পাইনি বা পাবার আশা ও নাই।”

আরে ব্যারিস্টার ভাইয়া আশা করবেন কিভাবে, কারণ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে ঘোষণা দিয়েছেন,সেটি কি আপনি শুনেনি? আগামীতে দলীয় পদ- পদবি পেতে হলে প্রার্থীর হিস্ট্রি চেগ করতে হবে। এখন আপনিই বলুন সেখানে আপনার কি অবস্থা হবে । যাহা পেয়েছেন তখন তা নিয়েও টানাপোড়েন চলবে। তাই না চাওয়াটা আপনার জন্য মঙ্গল ।

“দীর্ঘ ৩০ বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যা কথা লিখেছেন ।”

আপনি যেকোনো ভাবে হোক একটি দায়িত্বশীল জায়গায় রয়েছেন, তাছাড়া একজন ব্যারিস্টার? ৩০ বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যা নিয়ে আপনাকে তো কোন ফোরামে আলোচনা করতে দেখিনি। এই দলের ক্ষতি হলে যে আপনারাই লাভবান হবেন, কারণ আপনারা যে এখনও মনে প্রাণে আওয়ামীলীগ হতে পারেননি।

“এমনকি দেশ-বিদেশে উনাকে ঘিরে দালাল আর চাটুকারদের যন্ত্রনায় আমিও বিব্রত।”

আরে ভাই দালাল আর চাটুকারদের কথা বলেছেন, আপনার চেয়ে বড় দালাল বা চাটুকার আর কে হতে পারে, আপনি কি ভুলে গেছেন!!! মন্ত্রী মহোদয়ের সভায় প্রবাসীদের ভোটের কথা বলেছিলেন, তাই মন্ত্রীর ঝাড়ি খাওয়ার পরের দিন মন্ত্রীকে খুশি করার জন্য ফেইসবুকে কি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন ?

” আরো উল্লেখ করেছেন, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি বিনীত অনুরোধ এখন নির্বাচন মৌসুম। তাই কর্মীদের ক্ষোভের কথা শুনুন এবং দলের দ্বিধাবিভক্তি রোধ এবং দলকে গতিশীল করতে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। মনে রাখতে হবে দল আর কর্মীরা ঐক্যবদ্ব থাকলেই কেবল নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়া সম্ভব।”

আরে ভাই নির্বাচনের কথা বলেছেন, আপনার কি মনে নেই ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কথা, সেই দিন সমগ্র বাংলাদেশের ন্যায় বিয়ানী বাজার উপজেলায় যখন নির্বাচন প্রতিরোধ করতে গিয়ে হুমায়ূন কবির চৌধুরী নাহিদ’ শহীদ হয়েছিল, সেই দিন আপনি কোথায় ছিলেন ? আপনি তো কোন ভোট কেন্দ্রের ধারেকাছে ও যাননি ।আমরা যারা জন্ম সূত্রে পারিবারিক ভাবে ছাত্রলীগ, যারা বঙ্গবন্ধু আদর্শের সৈনিক ছিলাম তারাই প্রতিরোধ করেছিলাম ।
এবং ১২ই জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করতে পেরেছি বলে আজকের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেই বিজয়ের দিনেও আপনি আপনার এলাকায় ছিলেন না, কোথায় ছিলেন ? আওয়ামী লীগের বিজয়ে আপনার মন খারাপ হয়েছিল তাইনয় কি ?
মনে রাখবেন আওয়ামীলীগের
যে কোনো দুর্দিনে ত্যাগী কর্মীরাই দলের হাল ধরেন, আপনার মতো সুবিধা বাদিরা নয়।

মন্তব্য
Loading...