স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাদাম

0 ১৪৮

সময় কাটাতে বাদাম খাননি এমন কেউ কি আছেন? কাঁচা অবস্থায় বাদাম খাওয়া গেলেও আসলে ভাজা বাদাম খেতে বেশি মজাদার। বাদাম দিয়ে অনেক মুখরোচক খাবার তৈরি হয় পাশাপাশি রান্নার কাজেও এর ব্যবহার নানামাত্রিক। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাদামের রয়েছে আশ্চর্য কিছু গুণাবলী যা আমরা অনেকেই জানি না। আসুন দেখে নেওয়া যাক।

ওজন নিয়ন্ত্রণ
অনেক উচ্চমাত্রার ক্যালরি সম্পন্ন খাবারের তুলনায় সামান্য পরিমাণ বাদাম আপনার দৈনন্দিন প্রয়োজনের ক্যালরি পূরণে সক্ষম। কাজেই বাদাম খান আর অতিমাত্রার ক্যালরি সম্পন্ন খাবার দূরে রাখুন। আর আসছে শীতেও ওজন রাখুন নিয়ন্ত্রণে।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ
বাদাম শরীরের জন্য সবচেয়ে খারাপ কোলেস্টেরল ‘এলডিএল’ কমিয়ে দেয় এবং ভালো কোলেস্টেরল বা ‘এইচডিএল’ বাড়াতে সাহায্য করে। এভাবে বাদাম রক্তে কোলেস্টেরলের তারতম্য ঠিক রাখে। সঙ্গে হৃদযন্ত্রের করোনারি ধমনীতে যেকোনো প্রতিবন্ধকতা দূরে সহায়তা করে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। পাশাপাশি বাদাম বিষণ্ণতা কমাতে সাহায্য করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ
বাদাম টিউমারের বৃদ্ধিজনিত ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা যায়, সপ্তাহে কমপক্ষে দুবার বাদাম খেলে পুরুষদের ২৭ শতাংশ ও নারীদের ৫৮ শতাংশ পর্যন্ত কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে।

ডায়াবেটিস কমায়
বাদামে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি-৩, ফলিক অ্যাসিড ও প্রোটিন রয়েছে। ম্যাঙ্গানিজ হার্টের জন্য খুব ভালো। বাদাম খনিজের দারুণ উৎস। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, বাদাম খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।

প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়
বাদামে উচ্চমাত্রায় ফলিক এসিড থাকায় এটি নারীর উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। নবজাতকের জন্মগত সমস্যাগুলো প্রতিহত করে। গবেষণায় দেখা যায়, গর্ভাবস্থায় ৪০০ গ্রাম বাদাম খেলে শিশুর নিউরাল টিউবজনিত সমস্যার ঝুঁকি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে। এছাড়াও এ সময় বাদাম খেলে শিশুদের শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা প্রতিহত হয়। সন্তানের অ্যাজমা হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

মন্তব্য
Loading...